Header Ads Widget

Responsive Advertisement

বাংলাদেশের আইনজীবী হওয়ার নিয়ম |How to become an Advocate


বাংলাদেশের আইনজীবী হওয়ার নিয়ম |How to become an Advocate 



আসালামুআলাকুম
আইনজীবী পেশা খুব  সম্মানজনক পেশা।আজ আমরা জানব বাংলাদেশের আইনজীবী হওয়ার নিয়ম  ও কি কি পক্রিয়া অবলম্বন করেতে হবে।

আপনি যদি বাংলাদেশের নাগরিক হন এবং কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় (পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে আইন বিষয়ে ডিগ্রিপ্রাপ্ত বা স্বীকৃত বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতক অথবা আপনি যদি হন একজন ব্যারিস্টার, তাহলে আইনজীবী হতে হলে বার কাউন্সিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।









https://youtu.be/dmKW1e0fCC0


পরীক্ষার চার ধাপ

পর্ব-১:


প্রথমে ছয় মাস শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করবেন এ মর্মে এমন একজন সিনিয়রের সঙ্গে একটি চুক্তি করতে হবে। তবে সিনিয়রের কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত ওকালতি করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তাঁর সঙ্গে থাকবে একটি অ্যাফিডেভিট। আর থাকবে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের অনুকূলে নির্ধারিত ফির ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডার প্রেরণের রসিদ। আইনে স্নাতক পরীক্ষা বা অন্য কোনো ডিগ্রিপ্রাপ্তির পরীক্ষা প্রদানের পরপরই অনতিবিলম্বে উল্লিখিত চুক্তিপত্র, অ্যাফিডেভিট ও ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডার প্রেরণের রসিদ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারি বরাবর পাঠিয়ে দিতে হবে।

পর্ব-২:


পর্ব-১-এ পাঠানো কাগজপত্র বার কাউন্সিল কর্তৃক গৃহীত হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে বার কাউন্সিল আপনার বরাবর একটি রেজিস্ট্রেশন কার্ড ইস্যু করবে। সেখানে আপনাকে একটা রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেওয়া হবে। ছয় মাস অতিক্রান্ত হলে অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তির পরবর্তী লিখিত পরীক্ষার তারিখ জানিয়ে আপনাকে ওই পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কিছু কাগজপত্র সংযুক্তিসাপেক্ষে আবেদনপত্র প্রেরণের আহ্বান জানানো হবে । বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের অনুকূলে পরীক্ষার নির্ধারিত ফি বাবদ নির্ধারিত টাকা ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডার বা ব্যাংকে বার কাউন্সিলের অ্যাকাউন্টে নগদ জমা দেওয়ার রসিদ। সিনিয়রের কাছ থেকে শিক্ষানবিশি সমাপনসংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র। পূর্ণ বিবরণসহ পরীক্ষার্থী ও তার সিনিয়রের স্বাক্ষর, সিলমোহর ও তারিখযুক্ত কমপক্ষে পাঁচটি দেওয়ানি ও পাঁচটি ফৌজদারি মামলার তালিকা, যার শুনানিকালে পরীক্ষার্থী নিজে তাঁর সিনিয়রের সঙ্গে আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এগুলোর সঙ্গে থাকতে হবে শিক্ষাগত যোগ্যতার সব সনদ, চারিত্রিক সনদ ও ছবি ।

এম.সি.কিউ. পরীক্ষা:


পর্ব-২ সফলভাবে সমাপ্ত হলে বার কাউন্সিল থেকে আপনার ঠিকানায় ডাকযোগে চলে যাবে লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্র (অথবা বার কাউন্সিলে গিয়েও সংগ্রহ করতে পারেন)। ১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে আপনাকে যার পাশ হবে ৫০ শতাংশ নম্বর পেলে। প্রতিবছর এ পরীক্ষা দুইবার অনুষ্ঠিত হয়।

লিখিত পরীক্ষা:


উক্ত নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে আপনাকে। এই পরীক্ষায়ও পাশ নম্বর ৫০ শতাংশ।

মৌখিক পরীক্ষা:


পঠিত সব আইনি বিষয়ের ওপর ৫০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মৌখিক পরীক্ষায় একই সঙ্গে পর্ব-২-এ উল্লিখিত ১০ মামলার বিষয়ে কেস ডায়েরি দাখিল করতে হবে। তবে ব্যারিস্টারদের কেস ডায়েরি দাখিলের প্রয়োজন পড়ে না।



মৌখিক পরীক্ষা উত্তর্ণী হওয়ার পরে আপনি বাংলাদেশের যেকোনো আদালতে আইনজীবী হিসেবে মামলা পরিচালনা করতে পারবেন। 





Post a Comment

0 Comments

জমি কেনার আগে  ক্রেতার করণীয়