Header Ads Widget

Responsive Advertisement

৬০ বিঘা জমি বেশি হলে সরকার নিয়ে নিবে

 ৬০ বিঘা জমি বেশি হলে সরকার নিয়ে নিবে
ভূমি উন্নয়ন কর আইন ২০২২ এবং
 ভূমি  সংস্কার আইন ২০২২



প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে   মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে ‘ভূমি উন্নয়ন কর আইন- ২০২২’ এবং  ‘ভূমি সংস্কার আইন- ২০২২’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সরকার প্রধান শেখ হাসিনা।
ভূমি সংস্কার আইন-২০২২ এবং ভূমি উন্নয়ন কর-২০২২ এর খসড়া অনুযায়ী গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ মে) এই তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

ভূমি সংস্কার আইন প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ভূমি সংস্কার আইন এটা ১৯৮৪ সালের একটি অর্ডিন্যান্স ছিল, সেটাকে ভূমি সংস্কার আইন হিসেবে নিয়ে আসা হয়েছে। যেমন ভূমি সংস্কার আইনে কৃষি জমি ৬০ বিঘা, কিন্তু এ আইনে বলা হয়েছে যদি রপ্তানিমূলক কৃষিপণ্য বা অন্য কোনো প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প হয় তবে সেক্ষেত্রে এই ৬০ বিঘা প্রযোজ্য হবে না।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ৬০ বিঘার বেশি হলে ওটা সিজ করে নিয়ে যাবে। .

খসড়ায় আরও বলা হয়েছে, শতভাগ রপ্তানিমুখী কৃষিপণ্য বা কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের ক্ষেত্রে সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে ৬০ বিঘার অতিরিক্ত জমি ক্রয় বা অর্জন করা যাবে।

কোনো ব্যক্তি বা তার পরিবার ৬০ বিঘার অধিক কৃষিজমির মালিক হলে তিনি হস্তান্তর, উত্তরাধিকার, দান বা অন্য যে কোনো উপায়ে নতুন কোনো কৃষিজমি অর্জন করতে পারবেন না বলেও খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে জনকল্যাণে কোনো সংস্থা অনুমোদন সাপেক্ষে অতিরিক্ত জমি অর্জন করতে পারবেন। চা, কফি, রাবার বা অন্য ফলের বাগানের জন্যও অতিরিক্ত জমি অর্জনের সুযোগ থাকছে।


ভূমি উন্নয়ন কর আইনের বিষয়ে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আগের একটি অধ্যাদেশকে পরিমার্জন করে নতুন আইন করা হচ্ছে। নতুন আইন পাস হলে কৃষিকাজের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তি ও পরিবারভিত্তিক কৃষিজমির পরিমাণ ৮ দশমিক ২৫ একর বা ২৫ বিঘা পর্যন্ত ট্যাক্স দিতে হবে না। তবে জমি ২৫ বিঘার ওপরে থাকলে সব জমির জন্য ট্যাক্স দিতে হবে। ধরেন আমার ২৬ বিঘা জমি আছে, তাহলে পুরো ২৬ বিঘার দিতে হবে। তিন বছর ভূমি উন্নয়ন কর না দিলে ৬ দশমিক ২ শতাংশ হারে জরিমানা করে আদায় করা হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, সরকারি কবরস্থান, শ্মশান, মসজিদ, ঈদগাহ, মাঠ, মন্দির, গির্জা বা সর্বসাধারণের প্রার্থনার স্থানকে ভূমি উন্নয়ন করের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। তবে, ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কবরস্থানের ট্যাক্স দিতে হবে। কারণ পারিবারিক কবরস্থানের রেকর্ড ব্যক্তিনামে থাকে। এলাকাবাসী মিলে মসজিদের পাশে যে কবরস্থান করে সেটি মসজিদের নামে হওয়ায় কর দিতে হয় না।


Post a Comment

0 Comments

জমি কেনার আগে  ক্রেতার করণীয়